#ধুলিয়ান থেকে কলকাতা যোগাযোগের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস#
#সুমিত ঘোষ।
ধুলিয়ান থেকে হাওড়ার মধ্যে রেল যোগাযোগ স্থাপন হয় ১৯১৩ সালের ৩১ শে জানুয়ারি। এই রেল যোগাযোগ দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়েছিল। প্রথম টি ধুলিয়ান থেকে বারহারওয়া পর্যন্ত হয়েছিল ১৯১১ সালের ১৯ শে জানুয়ারি এবং পরের পর্যায়ে ধুলিয়ান থেকে জঙ্গিপুরের মধ্যে রেল যোগাযোগ হয় ১৯১৩ সালে। আর এই ভাবেই ধুলিয়ান থেকে সরাসরি ট্রেনের মাধ্যমে কলকাতা আসা যাওয়ার পথ সুগম হয়। এই রেলপথটি বারহারওয়া-আজিমগঞ্জ-কাটোয়া (BAK) রেলপথ নামে পরিচিত ছিল এবং এটি East Indian Railway এর অধীনে ছিল।
রেল যোগাযোগের আগে ধুলিয়ান থেকে কলকাতা স্টিমারের মাধ্যমে যোগাযোগ হত। ধুলিয়ান-কলকাতা স্টিমার পরিষেবা পরিচালনা করতো স্টিম নেভিগেশন কোম্পানি। নদী পথে ধুলিয়ান থেকে কলকাতা ২৫০ মাইল পথ যেতে পাঁচ দিন সময় লাগতো। ভাড়া ছিল ১ টাকা ১৩ আনা। এই স্টিমার পরিষেবার মাধ্যমে জঙ্গিপুর, জিয়াগঞ্জ, আজিমগঞ্জ, বহরমপুর, কাটোয়া ও কালনা যাওয়ার সুবিধা ছিল। প্রসঙ্গত; এই স্টিমার পরিষেবার মাধ্যমে যাত্রী পরিবহন ও মাল পরিবহন দুই-ই হত।।
#তথ্যসূত্র: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লেখ্যাগার থেকে নথি থেকে গৃহীত।
#উৎসর্গ: সানাউল হক (সানা)। যার অকাল মৃত্যু আজও আমাদের ভীষণ পীড়া দেয়।
#কৃতজ্ঞতা: চুন্নু সিং (রামকৃষ্ণ সিং)। যে মানুষটির বর্তমান কর্মকান্ড সমসেরগঞ্জ/ধুলিয়ান কে এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে।
#ছবি: ফেসবুক থেকে গৃহীত। ধুলিয়ান পার লালপুর ঘাট ও কাঞ্চনতলা স্কুল ঘাট।।
সংগৃহীত: সন্মানীয় সুমিত ঘোষ